ফিচার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফিচার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

 বারহাট্টায় ৬৫ বছর বৃদ্ধার মানবেতর জীবনযাপন

বারহাট্টায় ৬৫ বছর বৃদ্ধার মানবেতর জীবনযাপন

পূর্বকন্ঠ ডেস্ক :  ‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,  রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও ,বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।


পল্লী কবি জসীমউদ্দিনের ‘আসমানী’ কবিতার পংক্তিগুলো বাস্তব জীবনে নেত্রকোনার বারহাট্টায় বাঁশঝাড়ের ভিতর খুপরি ঘরে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকা ৬৫ বছর বয়সী স্বামী পরিত্যক্তা ও নিঃসন্তান লক্ষ্মী রাণীর জীবনের সাথে মিলে গেছে।


নেত্রকোনার বারহাট্টা সদর উপজেলাধীন গুহিয়ালা গ্রামের বাঁশঝাড়ের ভিতর খুপরি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সহায়সম্বলহীন লক্ষ্মী রাণী।


লক্ষ্মী রাণীর সাথে কথা বলতে গেলে, তিনি কেঁদে কেঁদে বলেন, ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে পরিস্থিতির কাছে আমি পরাজিত, জীবনে বেঁচে থাকা আমার কাছে শুধুই যন্ত্রণা ছাড়া আর কিছুইনা। এখন শুধু ভগবানের কাছে একটাই প্রার্থনা করি তাড়াতাড়ি যেন আমার মৃত্যু হয়। মৃত্যুই আমার একমাত্র মুক্তির পথ।,


তিনি আরও বলেন, ৩০ বছর আগে স্বামী পরিত্যক্তা হবার পর আমার একুল আর অকূলে আপনজন বলতে কেউ নেই। তাই অপারক হয়ে বাঁশ ঝাড়ের ভিতর খুপরি ঘরে অনিশ্চয়তায় ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে অনেক কষ্টে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাইতেছি।


প্রতিবেশী ছালমা বেগম বলেন, জঙ্গলের ভেতরে এখন যে ঘরে এই বৃদ্ধা বাস করছেন সেখানে খাবার তো দুরের কথা, পানযোগ্য পানি পর্যন্ত নেই। ভাঙ্গা পাত্রে জমে থাকা বৃষ্টির পানিই তার ভরসা। মানুষের বাড়িতে চেয়ে একবেলা খাবার জুটলেও আরেক বেলা না খেয়ে দিন কাটে তার। অসুস্থ হলেও খোঁজ নেবার কেউ নেই। প্রতিনিয়তই তিনি, কষ্ট-যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে শুধুই মৃত্যু কামনা করেন।,


এলাকাবাসী কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা জানান, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্বামী পরিত্যক্তা এবং নিঃসন্তান। তাই তার এই বয়সে সেবা করার মত কেউ নেই।,


এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, এই দুঃখিনী বৃদ্ধা ভূমিহীন হওয়ার পরও তার ভাগ্যে একটি থাকার মতো ঘর জুটেনি। বারহাট্টার বিত্তশালী কিংবা প্রশাসন থেকেও কেউ তার খোঁজ পর্যন্ত নেয়নি।,


বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাইনুল হক কাসেম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি, আমাদের পক্ষ থেকে লক্ষী রানীর জন্য সবোর্চ্চ সহযোগিতা থাকবে।,


বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও এসএম মাজহারুল ইসলাম বলেন, লক্ষী রানীর বিষয়ে আমার জানা নেই,তবে খবর নিয়ে দেখছি, আমাদের পক্ষ থেকে তার জন্য সবোর্চ্চ সহযোগিতা করা হবে।,'


বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০২৩

 ২১ বছর ধরে শিকলে বন্দি দুর্গাপুরের  শাহান আলী

২১ বছর ধরে শিকলে বন্দি দুর্গাপুরের শাহান আলী

তোবারক হোসেন খোকন,দুর্গাপুর :  মানসিক ভারসাম্যহীন ২৭ বছর বয়সী শাহান আলী প্রায় ২১ বছর ধরে পায়ে শিকল ও হাতে দড়ির বাঁধনে বন্ধী জীবন কাটাচ্ছেন।  দিনের বেলায় বসতঘরের পেছনে খোলা আকাশের নিচে গাছের সঙ্গে ও রাতে ঘরের ভিতর খুটির সঙ্গে দু'হাতে ও পায়ে শিকল দিয়ে তাকে বেঁধে রাখা হয়।  সেখানেই চলে তার খাওয়া-দাওয়া আর প্রসাব-পায়খানা।  এভাবেই বছরের পর বছর ধরে চলছে শাহানের বন্দি জীবন।  পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা করিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে জানান তার পরিবার।  অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি তারা।


বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের থাপনারগাতি গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে শাহান আলীকে তাদের  বসতঘরের পেছনে খোলা আকাশের নিচে গাছের সাথে দু'হাতে ও দু-পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে ।   তাকে সারাদিন এখানেই বেঁধে রাখা হয় বলে পূর্বকন্ঠকে জানান তার বাবা আব্দুল মজিদ মিয়া।, 


তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৩ নভেম্বর শাহান আলীর জন্ম।  জন্মের প্রায় ৬ বছর বয়স হওয়ার পর থেকেই তার মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু হয়।  সে সময় তাকে ছেড়ে দিলে ছোটাছুটি করে যাকে সামনে পেত তাকেই মারধর করতো।  এলাকাবাসীর গরু, হাস, মুরগি, ছাগলদের মারধর করাসহ পরিবারের লোকজনদের কাছে পেলে আঘাত করার চেষ্টা করতো।  যতই বড় হচ্ছিলো অস্বাভাবিক আচরণ দিন-দিন বাড়তে থাকে।  পরে সামর্থ্য মতো কিছুদিন চিকিৎসা করানোর পরেও সুস্থ হয়নি শাহান আলী।  তার আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি।  তাই অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে বাধ্য হয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বেঁধে রাখা হচ্ছে তাকে। 


শাহানের মা রহিমা খাতুন বলেন, জন্মের পরদিনই শাহানের খেঁচুনি হয়। এরপর আমরা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করালে তখন কিছুটা সুস্থ হলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে আবারো অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায় তার মাঝে। তিনি কান্নায় জর্জরিত কন্ঠে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে হাতে পায়ে বেঁধে রেখেছি সন্তানকে।  দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখায় হাত ক্ষত হয়ে গেছে। এই দৃশ্য মা হয়ে সহ্য করতে পারছি না।  ,’


প্রতিবেশীদের মধ্যে কয়েকজন বলেন, 'আমরা শাহান আলীকে ছোট থেকেই দেখে আসছি এরকম শিকলে বাঁধা অবস্থায়।  প্রস্রাব পায়খানা এলে চিৎকার শুরু করে পরে পলিথিন দিলে সেখানে পায়খানা করে এরপর তার মা অথবা বাবা পরিষ্কার করেন'।  তার বাবা-মা সারাদিন ছেলের কথা ভেবে কান্নাকাটি করে।  সরকারি সহায়তা এবং বিত্তশালীদের কেউ শাহান আলীর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে হয়তো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতো শাহান আলী। ,

 

ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন,  আমরা দ্রুতই শাহান আলীর বাড়ী যাবো এবং তার উন্নত চিকিৎসার ব্যাপারে  প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। ,

রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩

 নেত্রকোনায় হারিয়ে যাচ্ছে নদ-নদীর নাব্যতা, হুমকির মুখে জীববৈচিত্র

নেত্রকোনায় হারিয়ে যাচ্ছে নদ-নদীর নাব্যতা, হুমকির মুখে জীববৈচিত্র

এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা : দীর্ঘদিন যাবৎ নদ-নদী ও খালগুলো খনন না করায় কালের আর্বতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির পানির সাথে চলে আসা বালি ও পলি পড়ে নেত্রকোনার বেশীরভাগ নদ-নদী ও খালগুলোর নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে। নদীর গতিপথ লোপ পেয়ে খালে পরিণত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র। দেশীয় প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্তির পথে।  এক সময় সারা বছর নদী পথে চলত নেত্রকোণার ব্যবসা বাণিজ্য। নদ-নদীর পানি ধরে রাখতে না পাড়ায় ব্যহত হচ্ছে সেচ কাজ। ,

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলায় ৭টি বড় নদ-নদীসহ মোট ১২২টি ছোট বড় নদী ও খাল ছিল। জেলার ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া বৃহৎ ৭টি নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলমিটার ও ছোট বড় ১১৫টি নদীর দৈর্ঘ্য ৫১২৫.৬ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন যাবৎ এসব নদ-নদী খনন না করায় এবং কালের আবর্তে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টির পানির সাথে নেসে আসা বালি ও পলি পড়ে বেশীরভাগ নদ-নদী খালে পরিণত হয়েছে। , 


নেত্রকোনা জেলার ১২২টি নদ-নদীর মধ্যে বড় ৭টি নদী হলো কংশ, মগড়া, সোমেশ্বরী, উব্দাখালী, ধনু, ভোগাই, ও গুমাই। ছোট ১১৫টি নদীগুলো বর্তমানে খালে পরিণত হয়েছে।


দুর্গাপুর উপজেলায় ৯টি ছোট বড় খাল রয়েছে।  সেগুলো হচ্ছে - নালিয়া আগা, ছুখাই খালী, বালচ নদী, ঝিনাইগাতি, আরবাখালী, নাহিতখালী, সত্তর মুন্সি, বানেস্বরী ও পাগরিয়া খাল।


কলমাকান্দা উপজেলায় ১৪টি ছোট বড় খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- জাঙ্গার, গুতুরা, সিদ্ধখলা, আরিন্দাখালী, গোবিন্দপুর, বড়ইউন্দু, গোলামখালী, মান্দাউড়া, মহাদেও নদী, বাইন বিল, শ্যামপুর, গুমাই নদী, দিলুরা ও ভোগাই খাল।


নেত্রকোণা সদরে ১৮টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে - হরিখালি, নাপিতখালি, ডুপিংখালী, মগড়া, খোশাই, ঝিটাই, রেজখালী, গুরিয়ার, নগুয়া, ঠাকুরকোণা, চুচিয়া, ধলাই, দরিজাগি, সিদলী, জাহাঙ্গীরপুর, বালচ, মরাখালী ও তিলকখালী খাল।

    

কেন্দুয়া উপজেলায় ১৬টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে - রাজি, সাইডুলি, পাটেশ^রী, হুচিয়া, তুরুকপাড়া, ডুমরি, রাজপত, ওয়াই, চরপুর, সান্দিকোণা, কলতরিল, কুরদিঘা, সুতি, কচন্দরা, বালকি ও সামুকজানি খাল।

   

বারহাট্টা উপজেলায় ২৬টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে -মরা কংশ, মরা বিশনাই, বড় ধলা, ঘালিয়ামারি, নানিয়া চাটগাঁও, নয়া বিল, পিয়াইন, দত্তখিলা, ঘাবারকান্দা, বারই, আমতলা, চাপারকোনা, ধলেশ্বরী, বাঘাইর, মহেশখালী, ধলা, গুলামখালী, রৌহা, নন্দী বাড়ী, বড়াপাড়া, টংগা, কান্দাপাড়, বড়িখাল, কামালপুর, শিববাড়ী ও বালিজুড়ী খাল।

    

পূর্বধলা উপজেলায় ১১টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- কালিহর, বালিয়া, লাউয়ারী, ফলাখালী, খসখসিয়া, বারাবারির, ধলাই, মরা, পাছুয়া, বলজানা ও সুয়াইর খাল।

   

মোহনগঞ্জ উপজেলায় ৭টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- ঘোড়াউত্রা, মরা ধলাই, বেলদরিয়া, দাইরের, কলুংকা, পাপমারা ও নৌকা ভাঙা খাল।

     

খালিয়াজুরী উপজেলায় ৭টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- বিশ্বহরি ডুলিয়াজান, ডুলনিরখাল, সেলা, পুটিয়া, নাইয়রী, বয়রা ও বৌলাই খাল।

      

মদন উপজেলায় ৫টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- বালুই, বয়রাহালা, নাসিরখালী, পাতুনিয়া ও আন্দারমানিক খাল।


আটপাড়া উপজেলায় ২টি খাল রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- পাগলাখালী ও পঞ্চখালী খাল। ,

   

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি বা গোষ্ঠী নদী ও খালের বিভিন্ন অংশ যে যার মতো দখলে নিয়ে পানি শুকিয়ে মাছ ধরে ধান চাষ করেছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অদৃশ্য কারণে নীরব থাকায় সচেতন মহলের ধারণা, জনগণ একদিকে নদীর উপকারীতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অপরদিকে সরকার বিপুল পরিমাণের রাজস্ব হারাচ্ছে ।

   

কংশ, মগড়া, সোমেশ^রী, উব্দাখালী ও ধনু নদীর দুই পাড়ের কৃষকরা জানান, তারা আগে নদীর পানি দিয়ে সারা বছর ঘর গৃহস্থালীর কাজ করতো। বোরো ফসলের মাঠে সেচ দেওয়ার কোনো চিন্তা করতে হতো না। এখন আর জমিতে সেচ দেয়ার মতো পানি নেই। তারা আরো জানান, এলাকার জেলেরা নদী থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের দখলে থাকায় মাছ ধরা থেকে বঞ্চিত হয়েছে জেলেসহ সাধারণ জনগণ। দুই তীরে যাদের জমি আছে তারাই নদী দখলে নিচ্ছে। যাদের জমি নেই তারাও ধান লাগানোর ছলনায় নদী দখল করছে। কেউ কেউ সুবিধা অনুযায়ী নদী থেকে বালি উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে। আবার অনেক যায়গায় অবৈধ ভাবে ইটের ভাটা বসিয়ে রমরমা ব্যাবসা করছে।

     

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সারোয়ার জাহান জানান, কৃষি কাজে সেচের পানি ধরে রাখার লক্ষ্যে গত অর্থ বছরে ১০টি খাল খনন করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে ১০ কোটি টাকা ব্যায়ে আরো ৫টি খাল খনন করা হচ্ছে। ,

    

এ ব্যাপারে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ-এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নদী থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হবে। নদীর নাব্যতা রক্ষা ও সারা বছর সেচের পানি ধরে রাখার লক্ষ্যে যে সব নদ-নদী খননের প্রয়োজন তার একটি তালিকা তৈরী করে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হবে।  ,’