রাজশাহী বিভাগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজশাহী বিভাগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০২৪

নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ কাজে  অনিয়ম

নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়ম

তন্ময় ভৌমিক নওগাঁ : নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক মাত্র ৮ কিলোমিটারের কাজ নির্ধারিত সময় দেড় বছরেও শেষ হয়নি। এদিকে সওজ বিভাগের জায়গায় মাত্র এক কিলোমিটারের কাজ শেষে করা হলেও সেই কাজ নিম্নমানের করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ও পথচারিরা। 

বাকি ৭ কিলোমিটার সড়ক রেল সম্পত্তির কাজে দেখা দিয়েছে নানান জটিলতা। এদিকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আরও ছয় মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন করলে সওজ বিভাগ তা বৃদ্ধি করে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 



নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের এই অংশের অনিয়ম বন্ধ করে জনসাধারণদের দূর্ভোগ থেকে রক্ষায় দ্রুত সঠিক তদারিকতায় সড়ক নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। তবে নওগাঁ সওজ বিভাগ দাবি করে, কোন অনিয়ম ছাড়াই ইতোমধ্যেই ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে ।



জানা গেছে, নওগাঁর সাথে ঢাকাসহ দক্ষিণ অঞ্চল, উত্তরবঙ্গের জয়পুরহাট, দিনাজপুর, পঞ্চগড়সহ অন্যান্য জেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে ২০০৩/০৪ সালের দিকে রেলওয়ের সম্পত্তি দিয়ে রেল এর পাশ ঘেঁষে নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণের মহাপ্রকল্প হাতে নেয় সওজ বিভাগ। নওগাঁ-নাটোর মহাসড়ক নির্মাণের শুরু থেকে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে নিম্নমানের কাজ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।


 

গত কয়েক বছর আগে নওগাঁর অংশের মোট ৩১ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে নওগাঁ সড়ক বিভাগের আওতায় থাকা ২৯.১৯কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শেষে চলাচলের জন্য তা উন্মুক্ত করা হয়েছে। 



বাকি ৮ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করণের প্রকল্প গ্রহণ করে নওগাঁ সওজ বিভাগ। গত দেড় বছর আগে প্রায় সাড়ে ৫৬ কোটি টাকা ব্যায়ে নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের নওগাঁর ঢাকার মোড় থেকে রাণীনগর রেল ষ্টোশন পর্যন্ত সড়ক ১৮ ফিট চওড়ার পরিবর্তে ৩৪ ফিট (চওড়া) প্রশস্তকরণ কাজের প্রকল্প আবারও নেয় নওগাঁ সওজ বিভাগ। 



২০২২ সালের ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে কাজটির কার্যাদেশ প্রদানের মাধ্যমে কাজ শুরু করে। কাজের মেয়াদ গত জুন মাসে শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আরও ছয় মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হয়। 



সংশ্লিষ্টদের সঠিক তদারিকতা না থাকায় ধীর গতিতে নিম্নমানের সড়কের কাজ শুরু করে সিলেটের মের্সাস জামিল ইকবাল লিমিটেড নামে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। ফলে দীর্ঘ দিন থেকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসি ও পথচারীরা।,


 

স্থানীয় ও পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন, নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের নওগাঁর ঢাকার মোড় থেকে রাণীনগর রেল ষ্টোশন পর্যন্ত সড়কের ১ কিলোমিটার সওজ বিভাগে সম্পত্তি। এই ১ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজ সম্পন্ন করায় সপ্তাহ পার না হতেই সড়কের এই বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে যাচ্ছে এবং সড়কের পাশে মাটি ধ্বসে যাচ্ছে।



বাকি ৭ কিলোমিটার চলমান কাজও নিম্নমানের করে টাকা লুটপাট করছে সংশ্লিষ্টরা। কোথাও কোন কাজের সিডিউল টাঙ্গানো নেই। সড়কের পাশে অসংখ্য পুকুর হলেও অধিকাংশ স্থানে গাইড হওয়াল দেয়া হয়নি। আবার গর্তের কাদামাটি না সড়িয়ে অধিকাংশ গর্তে বালু এবং কিছু অংশে মাটি ফেলা হয়েছে। ফলে সড়কের নীচে ভীত শক্ত হয়নি। ফলে রাস্তা দ্রুত দেবে ও ধ্বসে যাবে।


  

সড়কের হালহালিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেন কাশেম সরদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এই সড়ক অকেজও গত সাত-আট বছর থেকে পথ চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কোথাও সিডিউল টাঙ্গানো নেই, সংশ্লিষ্ট কর্তাদেরও কাজের তদারিকতা করতে দেখা যায়না। ফলে অনিয়মের মাধ্যমে কাজ শেষ করা হচ্ছে।,


 

স্থানীয়রা আরো জানান, রেল বিভাগের সম্পত্তি হওয়ায় রেল বিভাগ থেকে লীজ নিয়ে অনেকেই দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। আবার অনেকেই জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। এই সড়ক সম্প্রসারণ করার সময় সেই স্থানগুলো তাদের উচ্ছেদ না করেছে না। ফলে সড়ক যথাযথ সম্প্রসারণ হচ্ছে না।,


   

মালশন এলাকায় কথা হয় আবুল বাশার, আব্দুর রহিমসহ কয়েকজন পথচারীর সাথে। তারা অভিযোগ করে বলেন, এই ১ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হলেও অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজ সম্পন্ন করায় সপ্তাহ পার না হতেই সড়কের এই বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে যাচ্ছে এবং সড়কের পাশে মাটি ধ্বসে যাচ্ছে। বাঁকি ৭ কিলোমিটার চলমান কাজও নিম্নমানের করে টাকা লুটপাট করছে সংশ্লিষ্টরা।,



রাণীনগর রেল স্টেশনের অটোরিকসা চালক মোসলিম উদ্দিন জানান, রাণীনগর থেকে সান্তাহার যাওয়ার আগের সড়কটি ছিলো বেহাল অবস্থা। সেই সড়কে গাড়ি চালিয়ে নিজের শরীরের যেমন ক্ষতি হয়েছে তেমনি ভাবে গাড়ির যন্ত্রাংশও প্রায় নষ্ট হতো। গাড়ীর দুর্ঘটনা ঘটতো। 



নওগাঁ জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল মোস্তফা কালিমী বাবু জানান, নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলে নওগাঁর সাথে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ সহজ হবে।, ফলে অর্থনৈতিক দৃশ্যপট পুরো বদলে যাবে।,



নওগাঁ জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপের সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানান, এই আঞ্চলিক সড়ক দ্রুত সম্পন্ন হলে খুব কম খরচ ও কম সময়ের মধ্যে সারাদেশে মালামাল আনা-নেয়া সম্ভব হবে। দ্রুত সঠিক ভাবে এই আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ সম্পন্ন করার দাবি জানান।,



ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাউকে ঘটনাস্থলে না পাওয়ায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।, 



নওগাঁ সওজ এর (সড়ক বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল হক বলেন, নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ নিয়ে রেল ও সওজ বিভাগের দ্বন্দ্ব রয়েছে। রেলওয়ের সম্পত্তি লীজ নিয়ে সড়কের দুই পাশে বহু লোক দোকানপাট তৈরী এবং অবৈধ্য ভাবে দখল করেছেন। তাদের উচ্ছেদ করতে গেলে যদি মামলা করে তাহলে কাজ শেষ হতে আরো দেরি হবে। সড়ক নির্মাণে মেয়াদ বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।, 



অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজ হচ্ছে স্থানীয়দের অভিযোগ অস্বীকার করে সওজ এর কর্তা আরো বলেন, সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ, টেলিফোন লাইনের পোল স্থানান্তর, এই সব সমস্যা সমাধান করে আমরা নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছি। ইতোমধ্যেই ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তারপরও বর্তমানে সন্তোষজনক গতিতে আমরা নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছি। আমি শতভাগ আশাবাদি আর কোন বড় ধরণের সমস্যা কিংবা বাঁধার সম্মুখিন না হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা পুরো সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। 'সড়ক নির্মাণ শেষ করতে রেলওয়ে বিভাগসহ স্থানীয়দের এগিয়ে আসতে হবে।;

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩

নদীর বুকে দোল খাচ্ছে সোনালি-সবুজ শীষ

নদীর বুকে দোল খাচ্ছে সোনালি-সবুজ শীষ

সপ্তাহের মধ্যেই কাটা পড়বে আগাম জাতের বোরো ধান। এরই মধ্যে শীষে সোনালি আকার ধারন করেছে। আবহাওয়া প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত অনুকূলে। কৃষি দপ্তরের সঠিক পরামর্শে ও তদারকিতে রোগেরও আক্রমণ নেয়। বাম্পার ফলনের সম্ভবনা দেখছেন কৃষকরা।


যুগযুগ ধরে রাজশাহীর তানোরের বিলকুমারী বিলের জমিতে আগাম জাতের বোরো ধানের চাষাবাদ হয়ে আসছে। অনেক কৃষকের সারা বছরের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন বিলের জমিতে বোরো ধান। ধানপাকা খরতাপ শুরু হয়েছে। বিলজুড়েই সোনালি সবুজ শীষের চমৎকার দৃশ্য। অল্পদিনের মধ্যেই রক্ত ঘামের পরিশ্রমের ধান উঠানে আসবে। আসায় বুক বেধেছেন বিল পাড়ের কৃষক-কৃষাণীরা। ‘


জানা গেছে, তানোর উপজেলার চান্দুড়িয়া ব্রিজ ঘাট থেকে তানোর পৌর এলাকা হয়ে কামারগাঁ ইউপির বা উপজেলার শেষপ্রান্ত মালশিরা পর্যন্ত বিল কুমারী বিলের অংশ ধরা হয়। যুগযুগ ধরে বিলের জমিতে বোরো চাষ হয়ে থাকে। বিলের মুল অংশ পৌর সদর গুবিরপাড়া, শীতলীপাড়া, কুঠিপাড়ার নিচ অংশকে ধরা হয়। মাত্র ১৫ বিঘা জলাশয় রয়েছে। তাছাড়া বাকি এরিয়া ধানী জমিতে রুপান্তর। মাঝ দিয়ে সরু খাল রয়েছে কয়েকভাগে। এখাল বিলের নিচুঁ জমিতে সেচের ভরসা। এদিকে বিলের নিচুঁ জমি খাস, সেই খাস জমিতে ভূমুহীন কৃষকরা অল্প খরচে চাষ করে বছরের জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।,’


সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কামারগাঁ ইউপির মালশিরা, গুবিরপাড়া, মাড়িয়া, জমসেদপুর মাদারিপুর, মির্জাপুর,ভবানীপুর, বাতাসপুর, পারিশো দূর্গাপুর, শ্রীখন্ডা, দমদমা, মজুমদারপাড়া, কামারগাঁ, মহাদেবপুর, হাতিশাইল ও তানোর পৌর এলাকার তালন্দ, হিন্দুপাড়া, কুঠিপাড়া, তানোরপাড়া, গোল্লাপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকার নিচে বিলকুমারী বিলের জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।,’


কথা হয় কৃষক সাহেব আলির সাথে। তিনি জানান, ইদের আগে কাটা হবে। বিলের জমিতে ফলন বাম্পার হয়। পাঁচ বিঘা জমির ধান পাক ধরেছে। ধান পাকা খরতাপ শুরু হয়েছে। এরকম আবহাওয়া থাকলে সুষ্ঠ ভাবে দান ঘরে উঠবে। ফলনও ভালো পাব ও দামও ভালো আছে। তিনি আরো জানান, সব জমিতে ধান পাক ধরেছে, ঈদের আগে থেকেই কাটা শুরু হবে। আর যদি বৈশাখী ঝড় বৃষ্টিপাত হয় তাহলে মোড়কের শেষ থাকবে না। শীতলীপাড়া গুবিরপাড়ার নিচে সব জমি কমবেশি একই সাথে কাটা পড়বে।,’


গুবিরপাড়া গ্রামের কৃষক ফারুক জানান, প্রায় এক বিঘার বেশি জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। খরচ খুব একটা হয় না। ধানের চেহারা ভালোই আছে। ইদের দুএকদিন পর কাটা পড়বে। বিঘায় ২০ মন করে ফলন হয়। তবে বৃষ্টি হলে পাওয়া যায় না। শুধু আমি না অনেক দরিদ্র কৃষকরা নিচের জমি রোপন করেন। এবার আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকুলে আছে।,’


কামারগাঁ এলাকার কৃষক বকুল জানান, শীতলীপাড়ার নিচে প্রায় এক বিঘা জমির ধানে পাক ধরেছে। ইদের আগে শ্রমিক পেলে কাটা হবে, নচেৎ ইদের পরদিন থেকেই কাটতে হবে। কারন সামান্য বৃষ্টি হলে ইউপির জমিগুলো আগে ঢুবে যায়। এজন্য সবাই আগেই রোপন করে এবং আগেই কাটা মাড়ায় শুরু হয়।,


ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ জানান, ধান গাছে প্রচুর শীষ এসেছে, চেহেরাও ভালো আছে। দু-চার দিনের মধ্যে কৃষকরা ধান কাটা শুরু করবেন। বিলের জমিতে ফলন ভালো হয়,দামও ভালো। আবহাওয়া এরকম থাকলে বাম্পার ফলন ও লাভ করতে পারবে। আর যদি ঝড় বৃষ্টি হয় তাহলে মোড়কের শেষ থাকবে না। কারন সার কীটনাশকের দাম বেশি, এজন্য যেকোন বছরের তুলনায় খরচ কিছুটা বেশি হয়েছে।,


তানোর পৌর মেয়র ইমরুল হক জানান, ধান পাকা রোদ বা খরতাপ চলছে। এমব আবহাওয়া চলতে থাকলে সুষ্ঠু ভাবে কৃষকরা তাদের কষ্টের সোনালি ফসল ধান ঘরে তুলতে পারবে। পৌর এলাকার কৃষকদের বছরের খাবারের ভরসা বিলের জমি। এজমি থেকে য়ে পরিমান ধান পায় সেটা বছরের খাবার হয়। বিশেষ করে কুঠিপাড়া, শীতলীপাড়া, হিন্দুপাড়া ও গুবিরপাড়া গ্রামের অনেক ভূমিহীনরা বিলের নিচুঁ জমি রোপন করে থাকেন। সেই রোপণকৃত জমি থেকে যে পরিমাণ ধান পায় সেটা বছরের খাবার ও খড় দিয়ে জালানি এবং গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। আবহাওয়ার ভালো থাকবে বলে তো সবাই মনে করছেন।,


উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, উপজেলার চান্দুড়িয়া ব্রীজ ঘাট থেকে কামারগাঁ ইউপির মালশিরা গ্রাম বা চৌবাড়িয়া ব্রীজ পর্য়ন্ত ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। নিয়োমিত মাঠে থেকে কাজ করা হয়েছে। একাধিক মাঠ দিবস পালন করার কারনে ধানে রোগবালা নেই। আবহাওয়া অনুকুলে আছে। কয়েকদিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু হবে। ফলন ভালো হবে এবং দামও ভালো আছে। এবারে উপজেলায় ১৩৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে।,’


সূত্র: বার্তা২৪.কম

সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩

ফেসবুক লাইভে এসে স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যা

ফেসবুক লাইভে এসে স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যা

নাটোরের গুরুদাসপুরের কাছিকাটা এলাকায় রনজু আহমেদ নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যা করেছে।


নজু উপজেলার কাছিকাটা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও একই এলাকার হরফ আলীর ছেলে। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে...বিস্তারিত....http://dlvr.it/SlXP0y